সংস্করণ: ২.০১

স্বত্ত্ব ২০১৪ - ২০১৭ কালার টকিঙ লিমিটেড

দশটি টিপস যা আপনার প্রতিদিনের কাজের জন্য প্রয়োজন

সুস্থ থাকা: সুস্থ দেহ মানে হচ্ছে কর্মক্ষম দেহ আর নির্ভুল ভাবে কাজ করার অন্যতম ধাপ। সুস্থ দেহ আপনার শারীরিক কার্যকলাপ সহজ করে এবং ছোট ছোট পরিবর্তন আনে। যার ফলে আপনার ব্যবসা ও জীবন সঠিক লক্ষে পৌছাতে পারবে। আপনি কোন অবস্থানে আছেন এবং আপনি কোন অবস্থানে নিজেকে দেখতে চান: আপনার জানা প্রয়োজন আপনি কোথায় আছেন এবং আপনি ভবিষতে কি করতে চান। ব্যবসা করতে হলে আপনাকে ছোট ছোট ব্যবসা পরিকল্পনা করতে হবে এবং প্রতিদিন কি ঘটছে, কাজ গুলোর সূচী থাকে সরিয়ে নেন যা আপনার ব্যবসার জন্য ভালো হবে। পর্যাপ্ত ঘুম: অতিরিক্ত কাজ করা যাবে না যাতে করে আপনি অসুস্থ হয়ে পরেন। মনে রাখবেন যদি যথেষ্ট ঘুম না হয় তাহলে যতটা কাজ শেষ করবেন তারচেয়ে বেশি ভুল করবেন। আপনি যদি ইচ্ছা করেন তারাতারি ঘুম থেকে ওঠবেন, দেরী করে কাজ শেষ করবেন তাহলে ঘুমের মাধ্যামে আপনাকে যথেষ্ট বিশ্রাম নিতে হবে। নির্দিষ্ট সময় নির্দিষ্ট কাজ করুন: আপনি যে কাজটি করেছেন তা নির্দিষ্ট সময়ে করেছন কিনা তা ভেবে দেখুন। মনে রাখবেন কোনো কাজে সফলতা পেতে হলে অবশ্যই আপনাকে সেই কাজের জন্য নির্দিস্ট সময় দিতে হবে এবং ঐ কাজটি নির্দিস্ট সময়ই সমাপ্ত করতে হবে। তাহলে আপনি আপনার লক্ষে সহজেই পৌছাতে পারবেন। রুটিন অনুযায়ী কাজ করুন: ব্যবসা বা কর্মক্ষেত্র সফলতা পেতে হলে আপনাকে একটি নির্দিষ্ট রুটিন অনুযায়ী কাজ করতে হবে। কারণ রুটিন আপনাকে সাহায্য করবে প্রতিদিনের কাজ প্রতিদিন শেষ করতে যাতে করে আপনার কাজগুলো সুন্দর ও সুষ্ঠভাবে সম্পূর্ণ হয় এবং লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করে। সামাজিক মাধ্যামে আপনার কাজকে প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকুন: অনেক সময় আমরা কোনো কাজ করার আগে Facebook, Twitter এ প্রকাশ করি। তখন আমরা নিজেরাও জানি না যে আমরা কি ভুল করছি। আমাদের জানা উচিত যে এসব সামাজিক মাধ্যাম গুলোতে বিভিন্ন শ্রেনীর মানুষ থাকে এবং তারা আপনাকে বিভিন্ন Negative/Positive ধারণা দিবে। যার ফলে আপনার নিজস্ব ধারণা থেকে আপনি সরে যাবেন। একটা সময় দেখা যাবে আপনি যা চাচ্ছেন তার ফলাফল সম্পূর্ণ উল্টো হচ্ছে। আর তাই আপনার লক্ষ্যে পৌছাতে চাইলে আপনার কাজ বা ধারণা কে বিভিন্ন social media তে প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকুন। কাজ কে ছোট ছোট ভাগে বিভক্ত করুন: আপনার ব্যবসা বা জীবনে সফলতা পেতে চাইলে সবগুলো কাজ এক সাথে শেষ না করে কাজগুলো ছোট ছোট ভাগে বিভক্ত করে ধারাবাহিক ভাবে কাজগুলো শেষ করুন। তাহলে আপনি একটা সময় বুঝতে পারবেন যে আপনার কাজগুলো খুবই ভালোভাবে শেষ হয়ছে। কাজের পরিবেশের পরিবর্তন আনুন: যখন আপনি নির্দিষ্ট পরিবেশ অনবরত কাজ করতে থাকবেন। একটা সময় কাজের প্রতি এক ঘেয়ামি চলে আসবে। তাই কাজকে উপভোগ করতে হলে আপনাকে অবশ্যই কাজের পরিবেশের পরিবর্তন আনতে হবে। যখন যা করবেন তা লিপিবদ্ধ করুন: আমাদের মস্তিষ্ক এতটাই শক্তিশালী না যে আমরা সবকিছু মনে রাখতে পারি। প্রত্যহ আমরা যা করি তার মধ্যে আমরা অনেকগুলেই ভুলে যাই। আপনি যখন একটি কাজকে Diary তে লিপিবদ্ধ করে রাখবেন তখন আপনি ভুলে গেলেও তা Diary দেখে সরণ করতে পারবেন। পর্যাপ্ত খাবার: পর্যাপ্ত খাবারই আপনার শরীর ও মস্তিষ্ককে সুস্থ রাখে এবং আপনার কার্যক্ষমতাকে বাড়িয়ে দেয়। তাই আপনার শরীর ও মস্তিষ্ককে সুস্থ রাখার জন্য আপনার নিয়মিত অবশ্যই পর্যাপ্ত খাবার খেতে হবে।
এখানে প্রকাশিত প্রতিটি লেখার স্বত্ত্ব ও দায় লেখক কর্তৃক সংরক্ষিত। আমাদের সম্পাদনা পরিষদ প্রতিনিয়ত চেষ্টা করে এখানে যেন নির্ভুল, মৌলিক এবং গ্রহণযোগ্য বিষয়াদি প্রকাশিত হয়। তারপরও সার্বিক চর্চার উন্নয়নে আপনাদের সহযোগীতা একান্ত কাম্য। যদি কোনো নকল লেখা দেখে থাকেন অথবা কোনো বিষয় আপনার কাছে অগ্রহণযোগ্য মনে হয়ে থাকে, অনুগ্রহ করে আমাদের কাছে বিস্তারিত লিখুন।

health, tips, plan, work