সংস্করণ: ২.০১

স্বত্ত্ব ২০১৪ - ২০১৭ কালার টকিঙ লিমিটেড

বাংলা বর্ণমালা আধুনিকায়নের পথে

শিরোনাম: আমার বর্ণমালা ও সমসাময়িক বাংলা টাইপোগ্রাফি। লেখক: মুহাম্মদ নাজিম-উদ-দৌলা। প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ২০১০ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাফিক ডিজাইন বিভাগের এমএফএ ২য় পর্বের পাঠ্যক্রমের অংশ হিসেবে রচিত। দুনিয়াব্যাপী এখন বর্ণমালার উন্নয়ন ও সহজীকরণের নতুন এক ধারা চলছে। বিশেষ করে তথ্য প্রযুক্তির বিভিন্ন মাধ্যমে সব ভাষার অন্তর্ভুক্তিকরণ, একটি একক মডেলের মাঝে রেখে এর নিয়ন্ত্রণ - এসব কারণে সব ভাষার বর্ণমালা নিয়েই নতুন করে অনেককিছু ভাবতে হচ্ছে। আমাদের বাংলা বর্ণমালা নিয়ে আমরা যত না ভাবছি তারচেয়ে বেশি ভাবছে প্রযুক্তির দিক থেকে যারা এখন দুনিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করছে তারা। যেই মাধ্যমে এখন আমি বাংলায় লিখছি তাও এমন এক সংস্থার করা যাদের সাথে বাংলার কোনো সম্পর্কই থাকার কথা না। বিশ্ব মানবতার প্রতি দায়বদ্ধতা বা এর আড়ালে ব্যবসাকেন্দ্রিক যে মানসিকতাই থাকুক না কেন - বাংলা ভাষাভাষী হিসেবে তাদের প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞতা দেখাতেই হবে। আমার হিসেবে বাংলা বর্ণমালা হলো পৃথিবীর জটিলতম বর্ণমালার একটি। এর বর্ণের প্রাচুর্যতা, উচ্চারণের ভিন্নতা, রূপের পার্থক্য এত বেশি যে খোদ একজন বাঙালির পক্ষেও এই বর্ণমালা নিয়ে কাজ করা এক ধরনের চ্যালেঞ্জের ব্যাপার। সেজন্যেই হয়তো এই বর্ণমালা নিয়ে কাজ করা লোকের সংখ্যা অনেক কম। উপরে প্রদর্শিত গবেষণা পত্রটি এমএফএ কোর্সের অভিসন্দর্ভ হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের গ্রাফিক ডিজাইন বিভাগে ২০১০ সালে জমা দেয়া হয়েছিল। এখানে লেখক চেষ্টা করেছেন বাংলা বর্ণমালা নিয়ে ভাবনা চিন্তার সমসাময়িক ধারার কিছু দিক তুলে ধরার। সেই সাথে এখানে সংযুক্ত আছে সাম্প্রতিক সময়ে করা তার কিছু কাজের কথা।
এখানে প্রকাশিত প্রতিটি লেখার স্বত্ত্ব ও দায় লেখক কর্তৃক সংরক্ষিত। আমাদের সম্পাদনা পরিষদ প্রতিনিয়ত চেষ্টা করে এখানে যেন নির্ভুল, মৌলিক এবং গ্রহণযোগ্য বিষয়াদি প্রকাশিত হয়। তারপরও সার্বিক চর্চার উন্নয়নে আপনাদের সহযোগীতা একান্ত কাম্য। যদি কোনো নকল লেখা দেখে থাকেন অথবা কোনো বিষয় আপনার কাছে অগ্রহণযোগ্য মনে হয়ে থাকে, অনুগ্রহ করে আমাদের কাছে বিস্তারিত লিখুন।

bangla, bornomala, typography, research, language, Bangladesh