সংস্করণ: ২.০১

স্বত্ত্ব ২০১৪ - ২০১৭ কালার টকিঙ লিমিটেড

hair-fall-natural-treatment.jpg

চুল পড়ে যাচ্ছে? জেনে নিন এর কারণ ও প্রতিকার

খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন, পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করতে হবে। প্রোটিনের উৎস হতে পারে মাছ, মাংস, পনির, দুধ, ডিম ইত্যাদি। জিংক ও আয়রনের উৎস হিসেবে খেতে পারেন বাদাম, কলিজা, মাংস, দুধ। সেই সাথে পান করুন প্রচুর পানি।

চুল পড়ার সমস্যার মুখোমুখি হয়নি এমন মানুষ কমই পাওয়া যায়। মাথার মধ্যভাগে স্টেডিয়াম হয়ে যাওয়া, সামনের দু পাশ দিয়ে চুল চলে যাওয়া, তরুণদের জন্য চিন্তার বিষয়ই বটে।

চুল পড়ার এই সমস্যাটা বংশগত হলে ডাক্তার ছাড়া কাজ হবে বলে মনে হয় না। তবে পরিবেশ বা শারীরিক কোন কারণে হলে এর অনেক প্রাকৃতিক চিকিৎসা আছে। আজকের আর্টিকেলে চুল পড়ার কিছু কারণ এবং কিছু পরিক্ষিত চিকিৎসা তুলে ধরলাম।

কারণ:
  • গরম পানিতে গোসল করার কারণে ত্বকের মতো চুলও শুষ্ক হয়ে যায়। তাছাড়া এতে করে চুলের গোড়া ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং চুল পড়ার প্রবণতা বেড়ে যায়।
  • ভিজা অবস্থায় চুলের গোড়া অনেক দুর্বল থাকে তাই সহজেই চুল উঠে আসে। তাই ভিজা অবস্থায় চুল আঁচড়ানো উচিত না। আবার ভিজা চুল মোছার ক্ষেত্রে জোরে তোয়ালে দিয়ে ঘষে চুল মুছলেও চুল ঝরে পড়তে পারে। তাই ভিজা চুল মোছার জন্য নরম তোয়ালে দিয়ে হালকা করে চুল মুছতে হবে।
  • খুশকি হলো চুল পড়ার অন্যতম কারণ। সে ক্ষেত্রে খুশকিরোধী শ্যাম্পু চুলে ব্যবহার করতে হয়।
  • অতিরিক্ত দুশ্চিন্তায় ভুগলে বা মানসিক সমস্যা থাকলে বেশি চুল পড়তে পারে।
  • পানিশূন্যতা, ভিটামিন ই, জিংক ও  আয়রনের অভাব চুল পড়ার কারণ।
প্রতিকার:
  • খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন, পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করতে হবে। প্রোটিনের উৎস হতে পারে মাছ, মাংস, পনির, দুধ, ডিম ইত্যাদি। জিংক ও আয়রনের উৎস হিসেবে খেতে পারেন বাদাম, কলিজা, মাংস, দুধ। সেই সাথে পান করুন প্রচুর পানি।
  • যাদের চুল রুক্ষ, তারা নিয়মিত তেল ব্যবহার করতে পারেন। এতে চুল প্রাণ ফিরে পাবে।
  • চুল সবসময় পরিষ্কার রাখুন। চুলের গোড়ায় যেন ময়লা না জমে। এ জন্য ত্বকের সাথে মানানসই শ্যাম্পু ব্যবহার করবেন।
  • সপ্তাহে একদিন অন্তত ডিমের কুসুমের সঙ্গে ২ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল মিশিয়ে পুরো চুলে লাগান। এক ঘন্টা পর চুল শ্যাম্পু করে নিন।
  • আমলকীর রসের সাথে সমপরিমাণ লেবুর রস এবং নারিকেল তেল মিশিয়ে সপ্তাহে দু দিন চুলে লাগিয়ে শ্যাম্পু করে ফেলুন। অবশ্য যাদের চুল রুক্ষ তাদের এই ট্রিটমেন্ট নেয়া উচিত না।
  • সপ্তাহে একদিন কুসুম গরম খাঁটি নারিকেল তেলের সাথে ভিটামিন 'ই' ক্যাপসুল মিশিয়ে চুলে ম্যাসেজ করতে পারেন।
এছাড়াও আরো প্রাকৃতিক চিকিৎসা আছে, তবে এখানে শুধু পরীক্ষিত চিকিৎসা গুলো তুলে ধরলাম। এতেও কাজ না হলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়াটাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ।

সতর্কতা:
  • খাটি নারিকেল তেল ছাড়া বাজারে পাওয়া নারিকেল তেল ব্যবহার না করাই ভাল। এছাড়া কদুর তেল ও ডাবর আমলা ব্যবহার করতে পারেন।
  • কন্ডিশনার যথাসম্ভব ব্যবহার কম করবেন। এটা মাথার ত্বকের জন্য খুবই ক্ষতিকর। আর ব্যবহার করলেও সাবধানে করবেন, যেন ত্বকে না লাগে।

এখানে প্রকাশিত প্রতিটি লেখার স্বত্ত্ব ও দায় লেখক কর্তৃক সংরক্ষিত। আমাদের সম্পাদনা পরিষদ প্রতিনিয়ত চেষ্টা করে এখানে যেন নির্ভুল, মৌলিক এবং গ্রহণযোগ্য বিষয়াদি প্রকাশিত হয়। তারপরও সার্বিক চর্চার উন্নয়নে আপনাদের সহযোগীতা একান্ত কাম্য। যদি কোনো নকল লেখা দেখে থাকেন অথবা কোনো বিষয় আপনার কাছে অগ্রহণযোগ্য মনে হয়ে থাকে, অনুগ্রহ করে আমাদের কাছে বিস্তারিত লিখুন।

hair, fall, natural, treatment, vitamin, e, healthy, life, beauty, youth